ভারতের মুম্বাই ও গুজরাটের পতিতালয় থেকে ৫০০ বাংলাদেশী তরুণী উদ্ধার

ভারতের দুটি পতিতালয় থেকে ৫০০ বাংলাদেশি তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। মুম্বাই ও গুজরাট পুলিশের যৌথ অভিযানে এই দুই শহরের পতিতালয় থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নারী পাচার চক্রের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কও উদ্ঘাটিত হয়েছে। গুজরাটের দুই নারী ব্যবসায়ী কেদার জৈন ও ধর্মেন্দ্র জৈন এই নারী পাচার চক্রের কিং পিন ছিল। তাদেরকে গ্রেপ্তার করার পর তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী আয়েজ সাঈদ এবং টিটু গাজি নামের দুই টাউটকেও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তবে, উদ্ধার হওয়া মেয়েদের কাছ থেকে জনৈক বাবু ভাই নামের একজনের কথা শোনা গেছে। যার হদিস এখনও পুলিশ বের করতে পারেনি।

ভারতের মুম্বাই ও গুজরাটের পতিতালয় থেকে ৫০০ বাংলাদেশী তরুণী উদ্ধার
প্রতিকী ছবি

উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ বাংলাদেশী মেয়েদের পাওয়া গেছে এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় পতিতাপল্লী গ্রান্ট স্ট্রিটে। দারিদ্র্যতার সুযোগ নিয়ে ও ভারতে বিভিন্ন চাকরি দেয়ার নাম করে অল্পবয়সী বাংলাদেশী তরুণীদের ফুসলিয়ে নিয়ে আসা হত মুম্বাইয়ে। সেখানেকার এবং গুজরাটে পতিতাপল্লীতে ঠাঁই হতো এদের অধিকাংশ মেয়ের। এদের মধ্যে দুই বাংলাদেশী তরুণীকে মডেল করার স্বপ্ন দেখিয়ে মুম্বাইয়ে আনা হয়। মূলথ তাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ এ তদন্ত শুরু করে। বাংলাদেশী তরুণীদের কেদার ও ধর্মেন্দ্র জৈন কিনতো পঁচাত্তর হাজার টাকা থেকে একলাখ টাকা দরে।

তারপর তারা মুম্বাই ও গুজরাটের পতিতালয়ে মেয়ে সরবরাহ করতো একলক্ষ পঁচিশ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা দরে। নথ ভাঙানিয়া অর্থাৎ অপাপবিদ্ধ বাংলাদেশী কিশোরীদের দর উঠতো প্রায় দুলাখ টাকা পর্যন্ত। বাংলাদেশেও সহযোগী নারী পাচারকারী চক্র ভারতীয় নারী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দীর্ঘদিন এই কাজ করে আসছে বলে পুলিশের অনুমান। বাংলাদেশের চক্রটিকে ধরার জন্যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছে।

সূত্র : বিডি২৪লাইভ